ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করল ইরান

International

আল জাজিরা, বিবিসি

ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র। ফাইল ছবি: এএফপি

ইসরায়েলে পাঠাচ্ছে ‘মিসাইলের ঢেউ’ তেলের দাম ফের ১০০ ডলারের ওপরে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আজ (২৪ মার্চ) ২৫তম দিন। হামলার প্রথম দিন গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ নেতা নিহত হন। এর জবাবে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে ইরান। দেশটি ইরাক, কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরেও হামলা হচ্ছে। এতে সংঘাত ধীরে ধীরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার হুমকি থেকে সরে আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় ইরানে দুটি গ্যাস স্থাপনা এবং একটি পাইপলাইনে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র।
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, ‘জায়নবাদী এবং আমেরিকান শত্রুদের’ চলমান হামলার অংশ হিসেবে ইসফাহানের কাভে স্ট্রিটে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস প্রেশার রেগুলেশন স্টেশনকে (গ্যাসের চাপ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র) লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্য ইরানের এই স্থাপনাগুলো ‘আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে।
এ ছাড়া দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত খোররামশাহর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি গ্যাস পাইপলাইনেও হামলা চালানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমটি উল্লেখ করেছে।
ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনার দাবি করে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার আলোচনার দাবি খারিজ করে দিয়ে ইসরায়েলে মিসাইল হামলার ‘ঢেউ’ চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এ হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।
হামলার জেরে তেল আবিব-সহ ইসরায়েলের বিভিন্ন প্রান্তে বেজে ওঠে সতর্কতামূলক সাইরেন। মাঝ-আকাশে ইরানের মিসাইল ধ্বংসে সক্রি হয় ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তেল আবিব থেকে সেই সংঘর্ষের বিকট শব্দ শোনা যায়। ধ্বংস হওয়া মিসাইলের টুকরো ছিটকে পড়ে উত্তর ইসরায়েলের কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের এলিড ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটিতে তারা নতুন করে হামলা শুরু করেছে। ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে ‘পুরনো মনস্তাত্ত্বিক কৌশল’ বলে কটাক্ষ করেছে তারা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েলের দক্ষিণাংশেও নতুন করে আছড়ে পড়ছে ইরানের একের পর এক মিসাইল। দিমোনা ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতেও সাইরেন বেজে উঠেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনা।
ইরানের নতুন এই হামলায় তেল আবিবের একাংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইসরায়েল থেকে সম্প্রচারিত সরাসরি ভিডিয়ো ফুটেজে সেই ধ্বংসলীলার ছবি ধরা পড়েছে।
এক জায়গায় দেখা গেছে, রাস্তায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ভিড় করে রয়েছেন পুলিশ ও জরুরি সেবা কর্মীরা। বেশ কয়েকটি গাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। একটি গাড়ি সম্পূর্ণ উল্টে গেছে, কয়েকটি দুমড়েমুচড়ে গেছে।
ইরানের হামলায় তেল আবিবে ক্ষয়ক্ষতি।

উত্তর ইসরায়েলে বেশ কিছুদিন ধরেই রকেট হামলা চালাচ্ছে ইরানের সমর্থনপুষ্ট হিজবুল্লাহ। এর পাশাপাশি ইসরায়েলের মধ্যাংশেও আছড়ে পড়ছে একাধিক মিসাইল।
তবে ইরানের নতুন হামলার মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ ইসরায়েল। ওই এলাকায় মিসাইল আছড়ে পড়ার কথা স্বীকার করে নিলেও প্রথমে কোনো হতাহতের খবর নিশ্চিত করেনি ইসরায়েলের জরুরি পরিষেবা কার্যালয়। পরে ইসরায়েলি ব্রডকাস্টিং অথরিটি জানায়, দক্ষিণাংশে এই হামলায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।

সোমবার বড়সড় পতনের পর ফের ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম।
মঙ্গলবার সকালে এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত তেলের এই বেঞ্চমার্ক সূচক ৩.৭৫ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম পৌঁছেছে ১০৩.৬৯ ডলারে। অন্যদিকে নাইমেক্স লাইট সুইট-এর দাম ৩.৪২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১.৫৫ ডলারে ঠেকেছে।
লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি তেলক্ষেত্র, ১৭ জুন ২০২২।
সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে  দাবি করেন, শীঘ্রই দুদেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বার্তার পরেই সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক ধাক্কায় ১০ শতাংশেরও বেশি পড়ে যায়।
কিন্তু আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার দাবি খারিজ করে দিয়েছে তেহরান। এরপরই ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির নতুন করে মূল্যায়ন করতে শুরু করেছেন লগ্নিকারীরা। এর জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে তেলের দাম।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে অতিদ্রুত আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ইরানের হামলার চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
একটি নতুন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করতে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছেন ভন ডার লিয়েন। ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা থামাতে এই যুদ্ধের অবসান জরুরি। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়।
উরসুলা ভন ডার লিয়েন। ছবি: রয়টার্স
তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের এই শত্রুতা বন্ধে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধান খুঁজে বের করা এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও জানান, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালী রক্ষার জন্য বেশ কয়েকটি ইইউ (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) সদস্য দেশ একটি বিশেষ অভিযানে (মিশন) সহায়তা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ভন ডার লিয়েন বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সমাজের ওপর যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে, তা আমরা সবাই অনুভব করছি।’ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে এই বাণিজ্যিক পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ইরানের সর্বশেষ দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তেল আবিবের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র বা তার ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল। এতে একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ারও তথ্য পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত চারজন সামান্য আহত হয়েছেন।
এদিকে ইসরায়েলের জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা জানিয়েছে, পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তারা দেশের মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি স্থানে তাদের উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিম পাঠিয়েছে।
তেল আবিবের ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মঙ্গলবার ভোরে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম হয়েছে’।
উত্তর ইসরায়েলের হাইফা অঞ্চলের নেশার এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন।
উত্তর ইসরায়েলের হাইফা অঞ্চলের নেশার এলাকায় গত রাতে অন্তত একটি ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এর আগে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সতর্কবার্তা দিয়েছিল, ইরান থেকে দেশটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
দেশটির জরুরি সেবা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, হামলার পর নিরাপদ আশ্রয়ে (শেল্টার) যাওয়ার পথে স্প্লিন্টারের আঘাতে এক নারী আহত হয়েছেন।
দেশটির দক্ষিণাঞ্চলেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবরের পর বেশ কয়েকটি এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ‘খুব শিগগিরই খুলে দেয়া হবে।’ একই সাথে এও বলেছেন, তিনি এবং ইরানের আয়াতুল্লাহ ‘যৌথভাবে’ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করবেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সিএনএনের কেইটলান কলিন্স যখন তাকে প্রশ্ন করেন যে প্রণালিটি কবে নাগাদ পুনরায় চালু হবে, তখন ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা যদি এই গতিতে এগোতে থাকে, তবে ‘এটি খুব শিগগিরই খুলে যাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি যৌথভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। আমি এবং আয়াতুল্লাহ, তিনি যে-ই হোন না কেন, বা পরবর্তী আয়াতুল্লাহ যিনিই হোন না কেন।’

ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ২৫তম দিনে তেহরানের রাজপথে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার সরকারপন্থি মানুষ। নতুন করে বোমাবর্ষণের হুমকি এবং ভারী বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তারা এই সংঘাতের প্রতিবাদে রাজপথে নামেন।
মেহের নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ছবি ও তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের দীর্ঘতম সড়ক ভালিয়াসর-এ বিশাল জনসমাবেশ ঘটে। সেখানে পতাকা হাতে মানুষ লাউডস্পিকারে সরকার ও দেশের সমর্থনে বিভিন্ন দেশাত্মবোধক স্লোগান দেন।
রোববার তেহরানের রাজপথে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার সরকারপন্থি মানুষ।
মঙ্গলবার ভোরেও তেহরানের ইনকিলাব চত্বরে শত শত মানুষকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। পুরো এলাকাটি বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং তার পূর্বসূরিদের ছবিতে ছেয়ে ছিল।
তেহরান ছাড়াও দেশটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে একই ধরণের বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তেহরানের উপকণ্ঠ কারাজ, ইরাক সীমান্ত সংলগ্ন ইলাম এবং কাস্পিয়ান সাগরের তীরের শহর সারি উল্লেখযোগ্য। মূলত দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসে অপরাধ দমন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের সাথে একটি ‘বৃহত্তর চুক্তিতে’ পৌঁছানো সম্ভব কি না, তা যাচাই করার কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমার পুরো জীবনই কেটেছে দরকষাকষি বা আলোচনার মধ্য দিয়ে। ইরানের সঙ্গে আমরা অনেকদিন ধরে আলোচনা করছি। তবে এবার তারা আসলেও গুরুত্বের সাথে বিষয়টি নিয়েছে।’ ট্রাম্প আরও যোগ করেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের নেতৃত্বের একটি বড় অংশ নিহত হয়েছে বলে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, শান্তির জন্য ইরান ‘আরো একবার সুযোগ’ পাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কার সঙ্গে আলোচনা করছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আশা করি তারা এই সুযোগটি গ্রহণ করবে। যেভাবেই হোক, এর ফলে আমেরিকা এবং পুরো বিশ্ব অনেক বেশি নিরাপদ হবে।’
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের গালিবফ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরণের আলোচনার খবর অস্বীকার করেছিলেন এবং একে ‘ভুয়া খবর’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

গত এক ঘণ্টা বা তার কিছু সময় ধরে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের গালিবফের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
তবে মোহাম্মদ-বাঘের গালিবফের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে এই দাবি অস্বীকার করে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমঝোতা হয়নি।

What do you feel about this post?

0%
like

Like

0%
love

Love

0%
happy

Happy

0%
haha

Haha

0%
sad

Sad

0%
angry

Angry

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *